খল নায়ক নোবেল বিজয়ী ডক্টর ইউনুস বনাম ভারতের কুতৎপরতা

0


ডক্টর ইউনুস বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মসনদে বসার পরপরই ভারতের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর মনোভাব নিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্ম পরিচালনা করেছিলেন।ওই সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক
 ওই পরিস্থিতিতে ইউনূসের ভারত বিরোধী মনোভাব অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রেখেছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।
একটা সুন্দর নির্বাচন দিয়ে ইউনুস সাহেব সরে গেছেন এবং এই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে ভারত, ইউনূসের মর্যাদা হানি করে নানা প্রক্রিয়ায়।তাদের বর্তমান অভিলাষ ইউনূসের বদনাম করে ইউনুসের কৃতিত্ব চিরতরে মুছে ফেলা বাংলাদেশ থেকে।


বুঝে আবার না বুঝেও বাংলাদেশের সুশীল সমাজও সাংবাদিকরা বিভিন্ন টকশোতে ডক্টর ইউনূসের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে শুরু করেছেন।অত্যন্ত সংকটময় মুহূর্তে ইউনুস বাংলাদেশের রাষ্ট্রটিকে টিকিয়ে রেখেছিলেন সকল ভেদাভেদের উর্ধ্বে থেকে,
রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ মঙ্গলের জন্য কিছু আইন কানুন তৈরি করে অধ্যাদেশে জারি করেছিলেন এবং একটি সফল নির্বাচন উপহার দিয়েছিলেন।


*এখনকার সুশীল সমাজ অন্ধ হয়ে গেছে অথবা কানা হয়ে গেছেন* তারা কোন ভাল কিছুই খুঁজে পাচ্ছেন না, কেবল তার দুর্বলতার দিকগুলো ইঙ্গিত করছেন অথবা তার ছোটখাটো ত্রুটিগুলো ইঙ্গিত করছেন।
এনবিআর এর ভূত পূর্ব চেয়ারম্যান একটা বিভ্রান্তিমূলক উক্তি করে বসেছেন যে
*ডক্টর ইউনুসের নোবেল বিজয়ের ক্ষেত্রে ও কুতৎপরতা আছে*।একটা অবিশ্বাস্য বক্তব্য।
এইভাবে রাষ্ট্রের দুর্যোগের সময়ের বন্ধুর চরিত্র কে হনন করা কি সঠিক?
ডক্টর ইউনুস যদি ছলচাতুরির আশ্রয় নিতেন এবং ছাত্রদের সাথে নিয়ে একটি দল গঠন করতেন তখন হয়তো আরো অনেক দেরিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো,


 ইচ্ছা করলে তিনি সেই পথে যেতে পারতেন।কিন্তু তিনি এই ক্ষেত্রে একটি সত্যিকারের ভালো মানুষের মতো আচরণ করেছেন যেটার জন্য উনার অনেক বাহবা পাওয়া প্রাপ্য কিন্তু সুশীল সমাজ সেই বাহবা দিতে নারাজ।
*সুশীল সমাজ প্রকৃত পক্ষে ভারতের একটা এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছেন বুঝে বা না বুঝে।*
সত্যিকার অর্থে তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতি একটি কঠিন ব্যাপার —-এখানে যদি সরকারি দল বিরোধী দলের মুন্ডু পাত না করে, তবে তাদের পেটের ভাত হজম হবে না।অন্যদিকে বিরোধীদল নিশ্চুপ বসে থাকে না, সুযোগ পেলে সরকারি দলকে নাঙ্গা করতে ওস্তাদ।

সরকারি দল ও বিরোধী দলের এই কুতৎপরতা তদারকি করে অথবা বাস্তবায়ন করে *সাংবাদিক সম্প্রদায় অথবা মিডিয়া।*
নির্বাচনের মাত্র ৭০ দিন অতিবাহিত হয়েছে এখনো রাজনীতি অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি হয় নাই। তাই রাজনীতির অঙ্গনে এখন খলনায়কের অভাব, বিরোধীদল এখনো খলনায়কের চরিত্রে অবতীর্ণ হয় নাই।
কিন্তু খলনায়ক ছাড়া নাটক সিনেমা হয় না এবং খলনায়ক ছাড়া রাজনীতি ও চলে না অথবা টকশো চলে না।
তাই বর্তমানে খলনায়ক হিসেবে ইউনুসকে চিহ্নিত করা হয়েছেএবং তার চরিত্র হণণের চেষ্টা হচ্ছে।
ইউনুস সরকারের কোন গাফালতি থাকলে বা কোন ক্ষেত্রে অবহেলা থাকলে অথবা দুর্নীতি থাকলে তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত যেখানে ইউনুস সরকার ও বক্তব্য রাখতে পারবে এবং আমরাও বুঝতে পারব সত্যিকার হচ্ছে কি ঘটেছিল অন্তবর্তী কালীন সরকারের আমলে!
**লেখার তারিখঃ দশই মে ২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *